সর্বশেষ আপডেট
কুড়িগ্রামে পাওয়ার ট্রিলারের ফলায় জড়িয়ে শিশুর মৃত্যু কুড়িগ্রামে বিএনপির মানববন্ধন অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে নারী নির্যাতন ও ধর্ষন বিরোধী বিট পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে শিশু- নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ বিরোধী গণসচেতনতা সৃষ্টি ও মতবিনিময় সভা। মুজিব বর্ষ উপলক্ষে সহায়ক উপকরণ পেলেন কুড়িগ্রামের ২৫ জন দুঃস্থ প্রতিবন্ধী কুড়িগ্রামে নারীর মরদেহ উদ্ধার নারায়নগঞ্জে সাংবাদিক খুন: হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবি করেছে বিএমএসএফ কুড়িগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনের সামন থেকে ভুয়া আইনজীবী আটক কুড়িগ্রামে ধর্ষক আসিফ ইকবালের ফাঁসির দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন কুড়িগ্রামে নারী ও শিশু ধর্ষনের বিচারের দাবীতে বিভিন্ন সামাজিক ও সংস্কৃতিক সংগঠনের মানববন্ধন
কুমিল্লায় প্রেমের ফাঁদে ফেলে এক তরুণীকে ছয় বন্ধু মিলে গণধর্ষণ করেছেন।

কুমিল্লায় প্রেমের ফাঁদে ফেলে এক তরুণীকে ছয় বন্ধু মিলে গণধর্ষণ করেছেন।

নিউজ ডেস্কঃ কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলায় এক তরুণীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ছয় বন্ধু মিলে গণধর্ষণ করেছেন।এ ঘটনার মূল হোতা ফয়সাল সহ অপর চারজনকে এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি, ক্ষিপ্ত এলাকাবাসী। এ ঘটনায় দুই যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে, গ্রেফতারকৃত দুই যুবক আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে গণধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- নাঙ্গলকোট উপজেলার মকরবপুর এলাকার চাঁন মিয়ার ছেলে রাসেল (২০) ও একই উপজেলার জোড়পুকুরিয়া গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে শিবলু (১৯)।

মামলা থেকে জানা যায়, নাঙ্গলকোট উপজেলার এক তরুণীর সঙ্গে ৭-৮ মাস ধরে একই এলাকার ফয়সালের (২৩) প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। বেশ কিছুদিন আগে বাড়ি থেকে পালিয়ে ঢাকায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে যান ওই তরুণী।

৬ জুলাই সন্ধ্যায় প্রেমিক ফয়সালের সঙ্গে যোগাযোগ করে ঢাকা থেকে নাঙ্গলকোটে ফিরে আসেন তিনি। সেখানে আসার পর তরুণীকে তুলাপুকুরিয়া এলাকার একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে যান প্রেমিক ও তার পাঁচ বন্ধু। ওই দিন রাত ১০টা থেকে ২টা পর্যন্ত আটকে রেখে পালাক্রমে তরুণীকে ধর্ষণ করেন প্রেমিক ও তার পাঁচ বন্ধু। এ ঘটনায় প্রেমিকসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন তরুণী। মামলার পর অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এদিকে, বুধবার কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগে ভুক্তভোগী তরুণীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আশ্রাফুল ইসলাম।

আশ্রাফুল ইসলাম বলেন, আদালতে দুই আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে গণধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। পরে তাদেরকে জেলহাজতে পাঠানো হয়। ঘটনার মূল হোতা ফয়সালসহ অপর চারজনকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

এদিকে এলাকাবাসী, ঘটনার মূল হোতা ফয়সাল সহ অপর চারজনকে দ্রুত গ্রেফতার এবং শাস্তির দাবি করছেন এলাকাবাসী।

আমাদের সংবাদ শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2020 jagrotoonews.com
Developed BY MRH
[X]