সর্বশেষ আপডেট
কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়িতে ৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার অরুয়াইল ইউপি নির্বাচনে আবদুল হাকিম দলীয় মনোনয়ন সহ বিজয় প্রত্যাশী সরাইল উপ-নির্বাচনে জাল ভোট দেওয়ার চেস্টায় ৩ তরুণীর কারাদণ্ড সরাইল চুন্টা ইউপি’র উপ-নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী বিজয়ী কুড়িগ্রামে পাওয়ার ট্রিলারের ফলায় জড়িয়ে শিশুর মৃত্যু কুড়িগ্রামে বিএনপির মানববন্ধন অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে নারী নির্যাতন ও ধর্ষন বিরোধী বিট পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে শিশু- নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ বিরোধী গণসচেতনতা সৃষ্টি ও মতবিনিময় সভা। মুজিব বর্ষ উপলক্ষে সহায়ক উপকরণ পেলেন কুড়িগ্রামের ২৫ জন দুঃস্থ প্রতিবন্ধী কুড়িগ্রামে নারীর মরদেহ উদ্ধার
সরাইলে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে দুই লাখ টাকা চাদা দাবির অভিযোগ

সরাইলে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে দুই লাখ টাকা চাদা দাবির অভিযোগ

জাগ্রত নিউজ,ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে দুই লাখ টাকা দাবি করে সাবেক এক ইউপি সদস্যকে ক্রসফায়ারের ভয় দেখানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে তাকে থানায় নিয়ে সাদা কাগুজে স্বাক্ষর রাখা হয়।

ভুক্তভোগী সাবেক ইউপি সদস্য আতিকুর রহমান (জজ মিয়া) শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ অভিযোগ করেন। তিনি সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ ইউপির ধর্মতীর্থ গ্রামের বাসিন্দা।

সাবেক ইউপি সদস্য জজ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, কালিকচ্ছ ইউপির শিশু মিয়ার ছেলে জিহাদ আহমেদ একজন থানার দালাল। তার সঙ্গে সরাইল থানার ওসি’র সুসম্পর্ক। সেই সুবাদে জিহাদ পুলিশের ভয় দেখিয়ে এলাকার নানা পেশার মানুষকে শোষণ করছে। অনেককে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে আর্থিকভাবে ফায়দা লুটছে। তাছাড়া জিহাদ বিভিন্ন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার নাম ভাঙ্গিয়ে এলাকায় নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। এতে এখানে পুলিশ বাহিনীর অর্জিত সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে।

জজ মিয়া বলেন, একটি ষ্ট্যাম্পে সাক্ষী হওয়ায় জিহাদ গত বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় পুলিশ দিয়ে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে আমাকে থানায় নিয়ে যায়। এসময়ে জিহাদ আমাকে জানায় “দুই লাখ টাকা দেন, নইলে আপনাকে থানায় নিয়ে পুলিশ দিয়ে ক্রসফায়ার করা হবে। আমি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাই।” পরে উপজেলা পরিষদের একজন জনপ্রতিনিধি, কালিকচ্ছ ইউপির চেয়ারম্যান সহ কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা থানায় গিয়ে আমাকে ছাড়িয়ে আনেন। এতে আমি চরম অপমান বোধ করি এবং বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় আছি।

তবে শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে জিহাদ আহমেদ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সাবেক ইউপি সদস্য আতিকুর রহমান জজ মিয়া একজন ঘুষখোর সর্দার। তারা আমার বাবার কাছ থেকে জোরপূর্বক একটি চুক্তিনামায় স্বাক্ষর নেয়। জজ মিয়া আমার বাবার কাছে ১০ হাজার টাকা ঘুষ চায়। বিভিন্ন মানুষকে ফাঁসিয়ে টাকা-পয়সা হাতিয়ে নেওয়া-ই হলো জজ মিয়ার বাণিজ্য। তাই পুলিশ দিয়ে উচিত শিক্ষা দিতে চেয়েছিলাম।

জিহাদ আহমেদ আরও বলেন, আমি তাকে (জজ মিয়া) ক্রসফায়ারের ভয় দেখাইনি, দুই লাখ টাকাও চাইনি। সরাইল থানার ওসিসহ এসপি এবং ডিআইজি’ সঙ্গে আমার একটা সম্পর্ক আছে, তাঁরা আমাকে ভালো জানেন। সেই সুবাদে এলাকার মানুষ আমার কাছে আসলে আমি তদবির করে তাদের উপকার করি; এটা জজ মিয়া ও কিছু স্বার্থান্বেষী সর্দার পছন্দ করেন না। তাই তারা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

জানতে চাইলে সরাইল থানার ওসি আল মামুন মুহাম্মদ নাজমুল আহমেদ বলেন, জিহাদ আহমেদের সঙ্গে আমাদের কারোর-ই কোনো বাড়তি সম্পর্ক নেই। সে সবার মতই থানায় আসে প্রয়োজনীয় কাজে। যদি পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে জিহাদ কোনো অন্যায় কাজ করে থাকে, তাহলে বিষয়টি আমরা খোঁজখবর নিব।

সরাইল সার্কেল-এর সহকারী পুলিশ সুপার আনিছুর রহমান বলেন, আমি সেদিন সরাইল থানায় ছিলাম। একটি চুক্তিনামা ষ্ট্যাম্প নিয়ে তাদের মধ্যে ঝামেলা। সাবেক ইউপি সদস্য জজ মিয়াকে একজন মুরুব্বি হিসেবে আমরা যথেষ্ট সম্মান দেখিয়েছি এবং সামাজিকভাবে বিষয়টি সমাধানের পরামর্শ দিয়েছি। জিহাদ আহমেদের বিষয়টি আমরা খোঁজখবর নিয়ে দেখবো।

আমাদের সংবাদ শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2020 jagrotoonews.com
Developed BY MRH
[X]